প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও রিসোর্স বুক

0
434
প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও রিসোর্স বুক

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও রিসোর্স বুক

প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও রিসোর্স বুক নিয়ে আজকে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। চেষ্টা করবো এটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে জেনে নিই প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও রিসোর্স বুক সম্পর্কে।

প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। পৃথিবীর সফল দেশগুলো তাদের জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত করেই সাফল্যের উচ্চতা অর্জন করছে। দারিদ্র বিমোচন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চাবিকাঠি হলো শিক্ষা। শিক্ষা একটি মৌলিক অধিকার যা ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদে সর্বপ্রথম ঘোষিত হয়। সংবিধানে ১৭নং অনুচ্ছেদ সংস্থাপনের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ শিক্ষাকে ব্যক্তির মৌলিক অধিকার মর্মে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

সবার জন্য শিক্ষা আন্দোলন একটি বৈশ্বিক অঙ্গীকার। সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ একাধিক আন্তর্জাতিক ঘোষণা ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। জমতিয়েন সম্মেলন(১৯৯০), ডাকার ঘোষণা ২০০০, জাতিসংঘ ঘোষিত শিশু অধিকার সনদ (১৯৮৯) এ অংশগ্রহণ ও ঘোষণায় স্বাক্ষর প্রদানের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (২০০০) প্রভৃতি আন্তর্জাতিক সম্মেলন নাগরিকের জন্য মানসম্মত মৌলিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন’ ১৯৯০ প্রণয়ন, পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী বিদ্যালয়ে গমনোপযোগি শিশুর ভর্তি শতভাগে উন্নীত করা, ঝরেপড়া রোধ, প্রাথমিক শিক্ষাচক্র সমাপনসহ মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে এখনও অনেক শিশু শিক্ষার সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এদের মধ্যে দরিদ্র, বস্তিবাসী, উপজাতি, বেদে, প্রভৃতি পরিবারের শিশুসহ পথশিশু, এতিম, পুষ্টিহীনতায় আক্রান্ত, প্রতিবন্ধী, ট্রান্সজেন্ডার ও যৌনকর্মীদের শিশু অন্যতম। এই সকল শিশুকে মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় এনে তাদের উপযোগী শিখন চাহিদা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা ও বিদ্যালয় পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে একীভূত শিক্ষা আবর্তিত। একীভূত শিক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তা হ’ল এ শিক্ষা ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও স্বতন্ত্র বৈচিত্র্য নির্বিশেষে সকল শিশুর বিকাশ ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

আরও জানুন : সরকারি চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও টুকিটাকি সাজেশন

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল বাংলা

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল গণিত

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ইংরেজী

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল প্রাথমিক বিজ্ঞান

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল সংগীত

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল চারু ও কারুকলা

বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল শারীরিক শিক্ষা

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রারম্ভিক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

প্রধান শিক্ষকদের জন্য লিডারশিপ প্রশিক্ষন ম্যানুয়াল

প্রাথমিক শিক্ষকগণের আইসিটি ইন এডুকেশন

চাহিদা ভিত্তিক সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

একাডেমিক তত্ত্বাবধান প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

শিক্ষাক্রম বিস্তরণ প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

সিটিআই-২০১৫ এর সংশোধিত ম্যানুয়াল

পিটিআই ইন্সট্রাক্টরগণের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিকল্পনা গাইডলাইন

বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গাইডলাইন

ব্যবহার ম্যানুয়াল পে-রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম

ব্যবহার ম্যানুয়াল ওয়েব বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম

বিদ্যালয়ের ক্লাস রুটিন-এর নমুনা

সকল কারিকুলাম ম্যানুয়াল

বর্তমানে একাডেমিক তত্ত্বাবধান চাহিদাভিত্তিক সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের সাথে সমন্বিত করা হয়েছে শিক্ষকযোগ্যতার আলোকে প্রণীত পর্যবেক্ষণ ছক অনুসারে প্রধান শিক্ষক তার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শিক্ষণ-যোগ্যতার মাত্রা নিরূপণ করেন, অপরপক্ষে স্ব-অনুচিন্তন ছক অনুসরণ করে শ্রেণিশিক্ষকগণ তাদের নিজেদের শিখন-শেখানো কাজ মূল্যায়ন করে নিজ যোগ্যতা চিহ্নিত করেন। এ ভাবে প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিখন-শেখানো কাজের সামর্থ্যের দিক ও যোগ্যতার ঘাটতি নিরূপণ করা হয়। ১৫ দিন পরপর প্রধান শিক্ষক তার সকল সহকর্মী শিক্ষককে নিয়ে পাক্ষিকপেশাগত উন্নয়ন সভায় বসেন। এ সভায় সকলে পরষ্পর আলোচনা ও মতবিনিময় করে শিক্ষকদের যোগ্যতার ঘাটতিসমূহ চিহ্নিত ও ঘাটতি উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ-চাহিদা-নিরূপণ করেন। প্রশিক্ষণ-চাহিদাসমূহ নিরূপিত হয় শিক্ষকের বিষয়জ্ঞান, শিক্ষণবিজ্ঞানবিষয়ক জ্ঞানও মূল্যবোধ সংক্রান্ত নির্দেশকের আলোকে। পাক্ষিক সভায় পরষ্পর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ প্রদান ও গ্রহণ এবং পাঠ-সমীক্ষা অনুশীলন অধিবেশন আয়োজন করে শিক্ষকগণ নিজেরাই তাদের অনেক প্রশিক্ষণ-চাহিদা পূরণ করেন। তবে কিছু কিছু প্রশিক্ষণ-চাহিদা এ ধরনের সীমিত সময়বিশিষ্ট সভায় নিষ্পন্ন করা সম্ভব হয় না। ফলে কিছু প্রশিক্ষণ-চাহিদা অনিষ্পন্ন সমস্যা হিসেবে থেকে যায়। এ প্রশিক্ষণ-চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ইউআরসিতে শিক্ষক ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশিক্ষণ উপকরণ প্রণয়ন ও পরবর্তীতে চাহিদাভিত্তিক সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয় । এ পদ্ধতি শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখে আসছে।

এক ক্লিকে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ও রিসোর্স বুক

সকল প্রকার নতুন টেকনোলজি খবরা খবর জানতে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিন এবং উপভোগ করুন আপডেট টেকনোলজি খবরা খবর।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here